সকল গ্রহকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এই রুদ্রাক্ষ ধারণ করা হয়। এটি কোন গ্রহের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়। এই রুদ্রাক্ষ সকল গ্রহের ও দশ দিকের প্রভাব ধারণ করে। এর অধিষ্ঠাতা ভগবান বিষ্ণু। তাই এই রুদ্রাক্ষ ধারণকারীর উপর তিনি খুবই প্রসন্ন হন। মামলা মোকাদ্দমায় জয়, সরকারি কাজে সাফল্য, সবদিকে নাম ও যশঃ ছড়িয়ে দিতে এই রুদ্রাক্ষ খুবই সাহায্যকারী। রাজনীতির ক্ষেত্রে এই রুদ্রাক্ষ সম্মান বাড়িয়ে দেয়। নবগ্রহকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই রুদ্রাক্ষের খুবই প্রয়োজন। তাদের কুপ্রভাব পড়ে না। এই রুদ্রাক্ষ ধারণ করার ফলে এ জীবনে যত কিছু পাপকর্ম করা হোক না কেন, তা নষ্ট হয়ে যায়। যে এই রুদ্রাক্ষ পূজা করে, তার পরিবার পুরুষানুক্রমে দিনের পর দিন উন্নতির শিখরে পৌঁছায়। দশমুখী রুদ্রাক্ষ সঙ্কটনাশক ও রোগ-শোক নাশক। এই রুদ্রাক্ষ ধারণকারীকে অকালমৃত্যু, নজর লাগা, হিংসা, দ্বেষ, ভূতের ভয় প্রভৃতি থেকে রক্ষা করে। তাছাড়া বাস্তুদোষ কাটায়। কোর্টের মামলা-মোকদ্দমা, ঝগড়া বিবাদ ও শত্রুর কার্যধারা নষ্ট করে।
এই রুদ্রাক্ষ ধারণে কি কি রোগ সারে?
অনিদ্রা, গর্ভধারণের সমস্যা, হার্টের সমস্যা প্রভৃতিতে উপকার দেয়।
কে এই রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে পারেন?
যাদের রাত্রে ঘুম হয় না, দুশ্চিন্তায় ভোগেন, মন অস্থির এবং যারা জীবনে ও কর্মে সঠিক পথ খুঁজে পাননি, তাদের পক্ষে এই দশ মুখী রুদ্রাক্ষ কার্যকর।
জ্যোতিষ বিচারে দশমুখী রুদ্রাক্ষ
সকল গ্রহদ্বারা দুর্ভোগ ও দুর্দশা দূর করে।
রুদ্রাক্ষ শোধন
শৈবমতে দশমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণের জন্য শোধন করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
দশমুখী রুদ্রাক্ষ ক্রয় করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।