এগারোমুখী রুদ্রাক্ষের মাহাত্ম্য

এগারোমুখী রুদ্রাক্ষ ভগবান রুদ্রের একাদশ রুদ্রের প্রতীক। এটি ধ্যান-যোগ অভ্যাসকারীর যৌগিক সমস্যার সমাধান করে। শিবভক্তের কাছে এটি সবচেয়ে ফলদায়ক এবং সফল রুদ্রাক্ষ। আমরা জানি একাদশ রুদ্র হনুমান – যাঁর নাম শুনে ভূত-প্রেত ও অশুভ শক্তি সব পালিয়ে যায়। তিনি পূর্ণজ্ঞানী, শক্তিশালী, বুদ্ধিমান ও ব্রহ্মজ্ঞানী ফলে যিনি এই এগারোমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করেন, তাঁর মধ্যে ওই সকল গুণের সমাবেশ ঘটে। এই রুদ্রাক্ষ ধারণকারীকে শক্তিশালী, জ্ঞানী, স্বাস্থ্যবান ও রোগ-শোক থেকে দূরে রাখে। এই রুদ্রাক্ষ ইন্দ্রেরও প্রতীক। ধারণকারীকে স্থায়ী শান্তি দেয়। অর্থাৎ যিনি দেবরাজ ইন্দ্রকে তুষ্ট করেন ও তাঁকে সুখী করেন, তিনি সর্বদা সুখে ও আনন্দে থাকেন। তাছাড়া এই রুদ্রাক্ষ অকালমৃত্যুর হাত থেকেও ধারণকারীকে রক্ষা করে। জপ-ধ্যান অভ্যাসে এই রুদ্রাক্ষ সহায়ক। এর নিয়মিত সাধনায় সাধক অনেক প্রকার দিব্যশক্তি লাভ করেন। মন ঈশ্বরে নিবিষ্ট হয়। তাছাড়াও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে, ব্যবসায় স্থায়িত্ব আনতে, অপরিচিতের থেকে ভয় ইত্যাদি দূর করে। বুদ্ধিবৃত্তি বাড়াতে দৈহিক ও মানসিক শক্তি বৃদ্ধিতেও কার্যকরী এবং সৌভাগ্যের সূচক।

আগেই বলা হয়েছে এই রুদ্রাক্ষ একাদশ রুদ্রের প্রতীক। তাই এই রুদ্রাক্ষে আছে একাদশ দেবতার সম্মিলিত শক্তি।  আর তাই এটি আনে সুখ, শান্তি, দীর্ঘায়ু ও জয়।

এই রুদ্রাক্ষ ধারণে কি কি রোগ সারে?
রক্তচাপ, হার্টের অসুখ, বহুমূত্র, স্নায়বিক শক্তি বৃদ্ধি প্রভৃতিতে কাজ করে।

কে এই রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে পারেন?
যারা জীবনে ভয়হীন বা নির্ভীক হতে চান, সমৃদ্ধি লাভ করতে চান, তারাই ধারণ করবেন। যোগ-ধ্যান অভ্যাস করার জন্য খুবই ভাল। যাদের আত্মবিশ্বাসের অভাব, ব্যবসায় স্থায়িত্বের অভাব, অপরিচিত থেকে ভয় ইত্যাদি ক্ষেত্রেও এই এগারোমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করা উচিত। এটি মাথাতে ধারণ করা যায়।

জ্যোতিষ বিচারে এগারোমুখী রুদ্রাক্ষ
সব গ্রহদোষ দূর করে। শনির যদি কোনও দোষ থাকে, তবে তাও খণ্ডন করে।

রুদ্রাক্ষ শোধন
শৈবমতে এগারোমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণের জন্য শোধন করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।

এগারোমুখী রুদ্রাক্ষ ক্রয় করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।

0