চৌদ্দমুখী রুদ্রাক্ষের মাহাত্ম্য

এটি অত্যন্ত দুষ্প্রাপ্য শ্রেণীর রুদ্রাক্ষ। শিবের অত্যন্ত প্রিয়। এই রুদ্রাক্ষ যে ধারণ করে, সে শিবের সান্নিধ্য লাভ করে, এটি অতি মূল্যবান বস্তু। একে ‘দেবমণি’ বলে। এই রুদ্রাক্ষ মানুষের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় জাগ্রত করে, যার দ্বারা ধারণকারী ভবিষ্যৎ ঘটনা দেখতে পান। যিনি এই রুদ্রাক্ষ ধারণ করেন, তার সিদ্ধান্ত অভ্রান্ত। তিনি সবরকমের দৈবদুর্বিপাক থেকে রক্ষা পান। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা দুঃখ-কষ্ট থেকেও মুক্তি পান। এটি রুদ্রাক্ষধারণকারীকে সবসময় রক্ষা করে ও ধনী করে এবং এর দ্বারা খুব মান-সম্মান লাভ হয়। এর গুণ অনন্ত।

চৌদ্দমুখী রুদ্রাক্ষ আজ্ঞাচত্র (দুই ভ্র-এর মাঝখানে) নিয়ন্ত্রণ করে। এটি কপালে বাঁধতে হয়। তাতে ধারণকারীর দুরদৃষ্টি ক্ষমতা বাড়ে। প্রতিটি কাজে ও পরিকল্পনায় ঠিকমত বিচার করতে সাহায্য করে, যাতে কোনও ভুল না থাকে। ধারণকারীর পূর্ব পুরুষদের শুদ্ধ ও মুক্ত করে। এই রুদ্রাক্ষ অতীতকে সংশোধন করে, বর্তমানকে উন্নত করে, ভবিষ্যৎকে নিশ্চিত রূপ দেয়। আজ্ঞাচক্রের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, মৌলিক চিন্তাধারা উন্নত করে, তোতলামি দূর করে, মানুষকে সঠিক পথের সন্ধান দেয়। এই রুদ্রাক্ষ ধারণকারী সাক্ষাৎ শিবস্বরূপ হয়ে থাকে।

এই রুদ্রাক্ষ ধারণে কি কি রোগ সারে?
হৃদপিণ্ড, চক্ষু, চর্ম, যৌনব্যাধি, পক্ষাঘাত, গর্ভপাত, স্ত্রীরোগ, বাত, শুক্র বিশুদ্ধি করণ প্রভৃতি উপকার করে।

কে এই রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে পারেন?
ফটকা ব্যবসায়ে (বিশেষ করে শেয়ার বাজারে) বিশেষ সাহায্যকারী, মানব সম্পদ আহরণে বিশেষ কার্যকরী, যারা আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায়ের সঙ্গে যুক্ত তাদের ক্ষেত্রেও উপকারী। এটি কপালে ধারণ করার নিয়ম।

জ্যোতিষ বিচারে চৌদ্দমুখী রুদ্রাক্ষ
গ্রহরাজ শনির যাবতীয় কু-প্রভাব নষ্ট করে। শনি সংক্রান্ত রোগে (যেমন – কোন কারণ ছাড়া হঠাৎ শরীর খারাপ, ক্লীবত্ব, হতাশা, প্রাপ্যবস্তু দেরিতে পাওয়া, দীর্ঘদিনের পুরানো রোগ ভোগ ইত্যাদিতে) উপকার দেয়।

রুদ্রাক্ষ শোধন
শৈবমতে চৌদ্দমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণের জন্য শোধন করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।

চৌদ্দমুখী রুদ্রাক্ষ ক্রয় করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।

0